Saturday, October 24, 2015

মেজবানি মাংস

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য মেজবান। এতে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় গরুর মাংসের নানা স্বাদের মজাদার পদ দিয়ে। তাই বলে বিশাল আয়োজন ছাড়া মেজবানি মাংসের স্বাদ কি নেওয়া যাবে না? যাবে। দেখে নিন জোবাইদা আশরাফের রেসিপি


মেজবানি মাংস
মেজবানি মাংসমেজবানি মাংস
উপকরণ–১: গরুর মাংস চার কেজি, পেঁয়াজ (অর্ধেক বাটা, অর্ধেক কুঁচি) ২ কেজি, আদাবাটা ২০০ গ্রাম, রসুনবাটা ২০০ গ্রাম, সাদা সরিষাবাটা ৫০ গ্রাম, চিনাবাদামবাটা ৫০ গ্রাম, নারকেলবাটা ২০০ গ্রাম, ধনে গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, গরমমসলা পরিমাণ মতো, টমেটো ১ কেজি, সরিষার তেল আধা কেজি, ঘি ৩৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ১০টি ও লবণ পরিমাণমতো।
উপকরণ-২: জিরা ২০ গ্রাম, ধনে ১০ গ্রাম, রাঁধুনি ১৫ গ্রাম, শুকনা মরিচ ১০টি ও তেজপাতা ৮টি।
উপকরণ-৩: মুখ চেরা এলাচি ৬টি, দারুচিনি (২ ইঞ্চি) ৩টি, লবঙ্গ ৮টি, গোলমরিচ আধা টেবিল চামচ, মেথি ২ টেবিল চামচ, জায়ফল ১টি, জয়ত্রী ১ টেবিল চামচ, রাঁধুনি আধা টেবিল চামচ ও জৈন ১ চা-চামচ।
প্রণালি: মাংস টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। গরম পানি ও কাঁচা মরিচ ছাড়া ১ নম্বর উপকরণের সব মসলা ও ২৫০ গ্রাম ঘি দিয়ে মাংস মেখে একটি ভারী সসপ্যানে নিয়ে চুলায় বসাতে হবে। ২ কাপ পানি দিয়ে নেড়ে দিতে হবে। ২ নম্বর উপকরণের মসলাগুলো ভেজে গুঁড়া করে মাংসে দিতে হবে। ঢাকনা দিয়ে চুলায় মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে একটু পানি গরম করে দিতে হবে। বেশি দেওয়া যাবে না। মাখা মাখা ঝোল রাখতে হবে। এর মধ্যে ৩ নম্বর উপকরণের মসলা ভেজে গুঁড়া করে রাখতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ওপরে তেল ভেসে উঠলে কাঁচা মরিচ, ৩ নম্বর উপকরণের গুঁড়া মসলা ও ১০০ গ্রাম ঘি দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। সার্ভিং ডিসে মেজবানি মাংস নিয়ে ওপরে বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করা যাবে।
কালো ভুনা


কালো ভুনাউপকরণ-১: গরুর মাংস চার কেজি, পেঁয়াজবাটা দুই কাপ, রসুনবাটা পৌনে এক কাপ, আদাবাটা আধা কাপ, বাদামবাটা সিকি কাপ, সাদা সরিষাবাটা আধা কাপ, মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, টকদই ২ কাপ, সরিষার তেল ১ কাপ, লবণ ও গরমমসলা পরিমাণমতো।
উপকরণ-২: পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, সয়াবিন তেল ৩ কাপ, গরমমসলা টালা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, গোলমরিচ টালা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, জায়ফল টালা গুঁড়া ১টি, জয়ত্রী টালা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ও কাঁচা মরিচ ১০ থেকে ১২টি।
প্রণালি: ১ নম্বর উপকরণ মাংসের সঙ্গে মেখে চুলায় দিয়ে রান্না করতে হবে। সেদ্ধ হওয়ার পর জন্য প্রয়োজনে ১ কাপ গরম পানি দিতে হবে। মাংস সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিতে হবে। অন্য সসপ্যানে ২ নম্বর উপকরণের তেল গরম করে মসলাগুলো দিয়ে দিতে হবে। এগুলো একটু বাদামি হলে গরুও মাংস ঢেলে দিতে হবে। তেলের ওপর অনেকক্ষণ কষিয়ে কালো হয়ে এলে ২ নম্বরের উপকরণগুলো দিয়ে আরেকটু নেড়ে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর ভাত, খিচুড়ি বা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন।
আখনি বিরিয়ানি
আখনি বিরিয়ানিউপকরণ-১: চিনিগুঁড়া চাল ২ কেজি, গরুর মাংস ৪ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ২ কেজি, রসুনবাটা ২০০ গ্রাম, আদাবাটা ২০০ গ্রাম, সাদা সরিষা ৫০ গ্রাম, চিনাবাদাম ৫০ গ্রাম, নারকেল কুচি ২০০ গ্রাম, মরিচ গুঁড়া ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, গরমমসলা পরিমাণমতো, টমেটো ১ কেজি, কাঁচা মরিচ ১০-১২টা, তেল ১ কাপ, ঘি ১ কাপ, জিরা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, টকদই ২ কাপ, লবণ ও গরম পানি পরিমাণমতো।
উপকরণ-২: মুখ চেরা এলাচি ১০টি, দারুচিনি (২ ইঞ্চি) ৪ টুকরা, লবঙ্গ ১০টি, জায়ফল ১টি, জয়ত্রী ২ টেবিল চামচ, শাহি জিরা ২ চা চামচ, কেওড়া ২ টেবিল চামচ ও গোলাপজল ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি: চাল ও মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। গরম পানি ছাড়া মাংসে ১ নম্বর উপকরণের মসলা, তেল ও ঘি মেখে চুলায় বসাতে হবে। মাঝারি আঁচে মাংস রান্না করতে হবে। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিতে হবে। সেদ্ধ হলে চাল মাংসে ঢেলে দিয়ে পাঁচ মিনিট কষাতে হবে। এবার পরিমাণমতো গরম পানি দিতে হবে। অন্য দিকে উপকরণ–২–এর মসলা তাওয়ায় ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে। চাল ও মাংসের পানি শুকিয়ে এলে গুঁড়া মসলা দিয়ে দমে বসাতে হবে। চাল ফুটে উঠলে কেওড়া ও গোলাপজল দিতে হবে। কিছুক্ষণ দমে দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। বড় পাত্রে আখনি বিরিয়ানি নিয়ে বেরেস্তা ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

মেজবানি বুটের ডাল
মেজবানি বুটের ডাল
উপকরণ: বুটের ডাল ১ কেজি, গরুর মাংস (হাড়সহ) ২ কেজি, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা দেড় টেবিল চামচ, সাদা সরিষাবাটা ১ টেবিল চামচ, নারিকেল-সরিষা পেস্ট ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজবাটা ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, জিরা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, গরমমসলা পরিমাণমতো, সয়াবিন তেল ১ কাপ এবং লবণ, কাঁচা মরিচ ও টমেটো পরিমাণমতো।
প্রণালি: ডাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে হবে। গরুর মাংস হাড়সহ ধুয়ে নিতে হবে। সসপ্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজতে হবে। একে একে সব মসলা দিয়ে তারপর মাংস ঢেলে ভাজতে হবে। মাংস ভালো করে কষানো হলে এবং সেদ্ধ হলে জ্বাল একটু বাড়িয়ে দিতে হবে। আরেকটু কষিয়ে গরম পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। এরপর কাঁচা মরিচ দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। নামিয়ে পরোটা বা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন।
নেহারি বা নলা হাঁজি
নেহারি বা নলা হাঁজিউপকরণ-১: গরুর পায়া (নলা) ৪টি, আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজবাটা ১ কাপ, চিনাবাদামবাটা আধা কাপ, সাদা সরিষাবাটা ২ টেবিল চামচ, পোস্তবাটা ২ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া এক টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ এবং গরমমসলা ও লবণ পরিমাণমতো।
টকের জন্য: জলপাই, আমড়া বা তেঁতুল স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি ও টমেটো ১ কেজি।
উপকরণ-২: গরমমসলা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ ও রসুন কুচি ৩ টেবিল চামচ।
প্রণালি: গরুর পায়া টুকরা করে ভালোভাবে ধুয়ে ১ নম্বর উপকরণের সব মসলা মেখে নিতে হবে। তারপর ডুবো পানি দিয়ে কয়েক ঘণ্টা সেদ্ধ করতে হবে। পায়ায় লাগানো মাংস ভালো করে সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। পানি কমে এলে আবার পানি দিতে হবে। এরপর টক, কাঁচা মরিচ ও টমেটো দিতে হবে। অন্যদিকে, আরেকটা সসপ্যানে ২ নম্বর উপকরণের তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি ভাজতে হবে। এবার পেঁয়াজ, রসুনসহ তেল পায়ার ঝোলে ঢেলে দিতে হবে। গরমমসলার গুঁড়া দেওয়ার পর ঢাকনা দিয়ে পায়া আবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে।

ঝটপট ঈদের রান্না

চা আর ডিমভাজি ছাড়া আর কিছু হয়তো কোনো দিন বানাননি, তাই বলে কি ঈদের দিন বিশেষ কিছু তৈরি করবেন না! রান্না একদম না জানলেও ক্ষতি নেই। জেবুন্নেসা বেগম জানিয়েছেন কীভাবে খুব সহজে বানাতে পারেন মজাদার কিছু খাবার।

ইয়োগার্ট স্টাফড মার্বেল ব্রেডইয়োগার্ট স্টাফড মার্বেল ব্রেড
উপকরণ: মার্বেল ব্রেডের স্লাইস ৪টা, টক দই ১ কাপ, পুদিনাপাতা কুচি ৩ টেবিল চামচ, লেবুর খোসা কুচি পোয়া চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া পোয়া চা-চামচ।
প্রণালি: টক দইয়ের পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার টক দইয়ের সঙ্গে পুদিনাপাতা কুচি, লেমন রাইন্ড ও গোলমরিচের গুঁড়া মেশাতে হবে। এবার মার্বেল ব্রেডের ভেতর ঢুকিয়ে পছন্দমতো টুকরা করে পরিবেশন।
কোল্ড কফি


কোল্ড কফিউপকরণ: দুধ ১ কাপ, কফি ১ চা-চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ক্রিম ১ টেবিল চামচ, বরফ কুচি (পছন্দমতো) ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি: ব্লেন্ডারে দুধ নিয়ে এর সঙ্গে চিনি ও কফি ঢেলে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার ক্রিম দিয়ে আবার ব্লেন্ড করে নিন। বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন।
সসেজ নুডলস স্যুপ

সসেজ নুডলস স্যুপউপকরণ: মুরগির মাংসের স্টক ৪ কাপ, টমেটো সস ৩ টেবিল চামচ, চিকেন সসেজ ৫টা, লম্বা নুডলস পরিমাণমতো, সয়া সস ১ টেবিল চামচ, আদা কুচি ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ (টুকরা) আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া সামান্য, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, লবণ সামান্য।
প্রণালি: সসেজ এক ইঞ্চি আকারে কেটে নিতে হবে। নুডলস তিন ইঞ্চি লম্বা করে ভেঙে নিতে হবে। এবার প্রতিটি সসেজের ভেতর পাঁচ-ছয়টা করে নুডলস ঢুকিয়ে নিতে হবে। মুরগির স্টক গরম করে তাতে কর্নফ্লাওয়ার ও কাঁচা মরিচ ছাড়া বাকি সব উপকরণ ও নুডলস সসেজ দিয়ে দিতে হবে। কর্নফ্লাওয়ার সামান্য পানি দিয়ে গুলে তাতে দিয়ে দিতে হবে। সবশেষে কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করুন।
ট্রায়ফল পুডিং


ট্রায়ফল পুডিংউপকরণ: ভ্যানিলা আইসক্রিম ১ কাপ, কেক ১ কাপ, আপেল আধা কাপ, আঙুর ২ টেবিল চামচ, আম আধা কাপ, পছন্দমতো ফল আধা কাপ।
প্রণালি: কেক ছোট ছোট কিউব করে কেটে নিতে হবে। আপেল, আম ও অন্যান্য ফল কিউব করে কেটে নিতে হবে। বাটি বা গ্লাসে কেকের টুকরা বিছিয়ে এর ওপর ফল দিতে হবে। ওপরে আইসক্রিম দিতে হবে। পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন।

ইফতারিতে শরবত

ইফতারিতে এক গ্লাস বরফ কুচি দেওয়া শরবত তো চাই-ই। দেখুন ফাতিমা আজিজের দেওয়া কয়েক রকম শরবত তৈরির প্রণালি।

মসলাদার লাচ্ছিমসলাদার লাচ্ছিউপকরণ: টক দই ২ কাপ, পানি সোয়া এক কাপ, আদা ঝুরি (আড়াই সেন্টিমিটার) ১ টুকরা, জিরা গুঁড়া (টেলে নেওয়া) আধা চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, ব্রাউন সুগার ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া টালা পৌনে এক চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি আধা টেবিল, চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২টি।
প্রণালি: বাটিতে টক দই ভালো করে ফেটে নিয়ে পানি মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ ফেটে নিন। এবার আদা ঝুরি, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, টালা জিরা ও গোলমরিচ, লবণ এবং চিনি দইয়ের মিশ্রণে মিশিয়ে নিন। ব্লেন্ড করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
চা আর ফলের শরবত

চা আর ফলের শরবতউপকরণ: পানি আড়াই কাপ, দারুচিনি (এক ইঞ্চি) ১ টুকরা, লবঙ্গ ৪টি, চিনি ১ কাপ, চা পাতা আড়াই চা-চামচ, লেবুর রস একটি লেবুর, মৌসুমি যেকোনো ফলের রস ২ কাপ, লেবু ১ টুকরো, লেবুর খোসা মিহি কুচি আধা টেবিল চামচ, মালটা এক টুকরো, পুদিনা পাতা কুচি ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: একটি পরিষ্কার হাঁড়িতে পানির সঙ্গে দারুচিনি এবং লবঙ্গ দিয়ে ভালো করে ফুটতে দিন। পানি ফুটে উঠলে চা পাতা দিয়ে চুলা বন্ধ করে নেড়ে পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। তারপর ছেঁকে চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নেড়ে ঠান্ডা করে ফলের রস মিশিয়ে নিন। নেড়ে দু-তিন ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রাখুন। পরিবেশনের আগে ফ্রিজ থেকে বের করে লেবুর রস, খোসা কুচি এবং পুদিনাপাতা মিশিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। এবার পরিবেশনের গ্লাসে এক টুকরো মালটা (কারণ এখানে মালটার রস ব্যবহার করা হয়েছে) পাতলা গোল করে কেটে চায়ের মিশ্রণ ঢেলে দিন। বরফ কুচি মিশিয়ে গ্লাসের মাথায় টুকরো লেবু গোল করে কেটে পরিবেশন করুন।
জাফরানি শরবত
জাফরানি শরবতউপকরণ: ঘন দুধ আড়াই কাপ, আমন্ড বা কাঠবাদাম কুচি ১ কাপ, মালাই ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ।
প্রণালি: গোলাপজলে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। দুধের সঙ্গে চিনি এবং মালাই মিশিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। সাজানোর জন্য কিছুটা বাদাম রেখে ব্লেন্ডারে বেিশর ভাগ বাদাম এবং দুধের মিশ্রণ ও গোলাপজলে মেশানো জাফরান দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে ওপরে বরফ কুচি, বাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
দইয়ের শরবত

দইয়ের শরবতউপকরণ: টক দই ১ কাপ, পানি ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া সিকি চা-চামচ, রসুন বাটা আধা চা-চামচ, পুদিনাপাতা বাটা আধা টেবিল চামচ, বিট লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: বাটিতে দই এবং পানি ভালো করে ফেটে নিন। তারপর চিনি, রসুন বাটা, বিট লবণ, গোলমরিচ গুঁড়া এবং পুদিনাপাতা বাটা মিশিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। ব্লেন্ডারে কিছু বরফ কুচি দিয়ে ৩০ সেকেন্ড ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।
আম-দইয়ের শরবত
আম-দইয়ের শরবতউপকরণ: পাকা আমের টুকরা করা ৪০০ গ্রাম, ১টি লেবুর খোসা কুচি, অর্ধেকটি লেবুর রস, ক্রিম ১ কৌটা বা ১৭০ গ্রাম, টক দই এক কাপের ৩ ভাগের ২ অংশ, চিনি ৬ টেবিল চামচ।
প্রণািল: আমের টুকরোগুলো ব্লেন্ডারে নিয়ে চিনি, লেবুর খোসা, রসসহ ব্লেন্ড করে নিন। তারপর তারের চালুনি দিয়ে চেলে নিয়ে খোসাগুলো ফেলে দিন। একটি বাটিতে দই এবং ক্রিম নিয়ে ভালো করে ফেটে নিন যতক্ষণ পর্যন্ত ঘন না হয়। তারপর দ্রুত আমের মিশ্রণ ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে ফেটে নিন। তারপর দুই-তিন ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ইফতারের আগে বের করে গ্লাসে ঢেলে নিন। ওপরে আম কুচি এবং সামান্য লেবুর খোসা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

ম্যারাডোনা চিকেন ফ্রাই


    
চিকেন ফ্রাই
চিকেন ফ্রাইউপকরণ: মাঝারি আকারের মুরগির মাংস ৮ টুকরা, সয়াসস ৫ চা-চামচ, চিনি ২ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ, জিরা ও গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ করে, ডিম ১টা, ময়দা ৫০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি: মাংসের টুকরাগুলো ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার সব ধরনের মসলা একসঙ্গে মিশিয়ে মাংসে মাখান। তারপর ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। এরপর ডিম, ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। চাইলে সঙ্গে অল্প একটু অ্যারারুট দিতে পারেন। এবার মেরিনেট করা মাংস ডিম-ময়দার খামিতে মাখিয়ে তেলে ভেজে নিন। মচমচে করে ভেজে নামিয়ে নিন।

বাহারি ইফতারি

     
দই চানাদই চানাদই চানাউপকরণ: ছোলা ১ কাপ, টকদই আধা কেজি, ভুজিয়া আধা কাপ, চাট মসলা ২ চা-চামচ, শুকনা মরিচ টালাগুঁড়া ১ চা-চামচ, বিট লবণ ১ চা-চামচ, চিনি ২ চা-চামচ বা পরিমাণমতো, পুদিনাপাতা ৪ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজকুচি ৪ টেবিল-চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ২ টেবিল-চামচ, শসাকুচি পৌনে এক কাপ, টমেটোকুচি পৌনে এক কাপ।
প্রণালি: ছোলা ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ডুবো পানিতে হলুদ ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। তেল গরম করে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভেজে ছোলা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভেজে ১ চা-চামচ চাট মসলা দিয়ে দিতে হবে। পরিবেশন পাত্রে এটি ঢেলে ঠান্ডা করতে হবে। দইয়ের সঙ্গে বাকি চাট মসলা, ২ টেবিল-চামচ পুদিনাপাতা, বিট লবণ, চিনি, লবণ, মরিচগুঁড়া দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে ছোলার ওপর ঢেলে দিতে হবে। তার ওপর শসাকুচি, টমেটোকুচি, পুদিনাপাতা, কাঁচা মরিচকুচি ও ভুজিয়া পর্যায়ক্রমে ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।
আমের মার্গারিটা
আমের মার্গারিটাউপকরণ: আমের পালপ বা ক্বাথ ২ কাপ, ভ্যানিলা আইসক্রিম আধা লিটার, সেভেন আপ বা স্প্রাইট আধা লিটার।
প্রণালি: আমের পাল্প ও আইসক্রিম ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে গ্লাসের অর্ধেকটায় ঢেলে নিন। ওপর থেকে স্প্রাইট বা সেভেন আপ ঢেলে তৎক্ষণাৎ পরিবেশন করতে হবে।
পোহা
পোহাউপকরণ: চিড়া ২ কাপ, আলু কিউব করে কাটা আধা কাপ, ডিম ২টি, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, কাঁচা মরিচকুচি ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, নারকেল কোরানো আধা কাপ, টমেটোকুচি আধা কাপ, গোলমরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল ৪ টেবিল-চামচ, পুদিনাপাতাকুচি ২ টেবিল-চামচ, আদাকুচি ১ টেিবল-চামচ, মটরশুঁটি পৌনে এক কাপ, মাখন ৩ টেবিল-চামচ, ঘি ১ চা-চামচ, সরিষা দানা আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচ ২টি।
প্রণালি: চিড়া ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। আলু লবণপানিতে সেদ্ধ করে রাখতে হবে। মাখন গরম করে পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচকুচি ও আদাকুচি দিয়ে ভেজে টমেটো, মটরশুঁটি ও লবণ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভেজে নিতে হবে। এতে চিড়া, গোলমরিচ ও পুদিনাপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নামাতে হবে। ডিম সামান্য লবণ দিয়ে ফেটিয়ে ফ্রাই প্যানে ভেজে রোল করে, কুচি করে কেটে চিড়ার সঙ্গে মেশাতে হবে। পাত্রে ঘি গরম করে তাতে শুকনা মরিচ ও সরিষা দানার ফোড়ন দিয়ে নারকেল কোরানো ভেজে চিড়ার ওপর ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।
বিস্কিটের মাফরুকা
বিস্কিটের মাফরুকাউপকরণ: পটেটো বিস্কিট প্রয়োজনমতো, ক্রিম চিজ আধা কাপ, কনডেন্সড মিল্ক পৌনে এক কাপ, পেস্তা-কাজু-আমন্ড বাদাম ১ কাপ, চেরি পরিমাণমতো।
প্রণালি: ক্রিম চিজ ও কনডেন্সড মিল্ক একসঙ্গে মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে ঠান্ডা করতে হবে। পেস্তা-কাজু-আমন্ড কুচি করে নিতে হবে। বিস্কিটের ওপর ক্রিমের মিশ্রণ দিয়ে তার ওপর বাদামকুচি তারপর আবার বিস্কিট, ক্রিম ও বাদাম এভাবে পছন্দমতো কয়েকটি স্তরে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
সবজি পেঁয়াজু

সবজি পেঁয়াজুউপকরণ: মসুর ডাল আধা কাপ, মটর ডাল আধা কাপ, পেঁয়াজকুচি এক কাপ, গাজরকুচি আধা কাপ, বাঁধাকপির কুচি আধা কাপ, আলুকুচি আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, ইচ্ছেমতো সবজি চার-পাঁচ রকমের প্রতিটি আধা কাপ করে; ধনেপাতাকুচি আধা কাপ, কাঁচা মরিচকুচি দুই টেবিল-চামচ, বেসন ২ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: ডাল ধুয়ে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে বেটে নিতে হবে। সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে গরম তেলে পেঁয়াজু ভেজে নিতে হবে।

ফলের চাট
ফলের চাটউপকরণ: আপেল কিউব করে কাটা ১ কাপ, আম কিউব করে কাটা ২ কাপ, আনারস কিউব করে কাটা ১ কাপ, আঙুর টুকরা ১ কাপ, সাদা গোলমরিচগুঁড়া ২ চা-চামচ, বিট লবণ আধা চা-চামচ, চিনি ২ চা-চামচ, চাট মসলাগুঁড়া ১ চা-চামচ, সালাদ ড্রেসিং ২ টেবিল-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ, পুদিনাপাতা ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: ফলের সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে ওপরে চাট মসলা ও পুদিনাপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।
মিনি কাবাব

মিনি কাবাবউপকরণ: হাড় ছাড়া গরু বা মুরগির মাংস মাঝারি টুকরো ২ কাপ, টমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, তেল ১ টেিবল-চামচ, সয়া সস ২ টেবিল-চামচ, টেম্পুরা পাউডার আধা কাপ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, পানি পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১০-১২টি, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, লবণ স্বাদমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাবাব গাঁথার জন্য টুথপিক প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: সয়া সস, আদাবাটা, রসুনবাটা, মরিচগুঁড়া, লবণ, তেল, টমেটো সস একসঙ্গে মাংসে মাখিয়ে ২ ঘণ্টা রাখতে হবে। ৩-৪ কাপ পানি দিয়ে মাংস সেদ্ধ করে পানি শুকিয়ে গেলে নামাতে হবে। টুথপিকে মাংস, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ গেঁথে নিতে হবে। টেম্পুরা পাউডারে গড়িয়ে নিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে।

আমে বৈচিত্র্য

শুধু কি কেটে বা রস করেই খাবেন আম। দেখুন না কত মজাদার রান্নাও করা যায় আম দিয়ে। রেসিপি দিয়েছেন ফাতিমা আজিজ।

ম্যাংগো কাস্টার্ডম্যাংগো কাস্টার্ড
উপকরণ: পাকা আম ৬টি, গুঁড়া দুধ ১ কাপ।
কাস্টার্ডের জন্য: ডিমের কুসুম ৬টি, তরল দুধ ২ লিটার, কাস্টার্ড পাউডার ৪ টেবিল চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, চিনি ১ কাপ, গুঁড়া দুধ পৌনে এক কাপ, লবণ ১ চিমটি।
প্রণালি: হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে সেই পানিতে আমগুলো ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে নিন। কাস্টার্ডের জন্য ২ লিটার দুধ জ্বাল দিন। ঘন হয়ে ৪ কাপ হলে পৌনে এক কাপ গুঁড়া দুধ মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে নাড়ুন। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হলে কার্স্টাডের বাকি উপকরণ একত্রে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে চুলায় দিয়ে অনবরত নাড়ুন। ফুটে ওঠার পর ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফ্যানের নিচে রেখে নেড়ে ঠান্ডা করুন। কাস্টার্ড ঠান্ডা হলে বাটিতে উঠিয়ে ঢেকে ফ্রিজে রেখে দিন। এবার ৪টি আম খোসা ছাড়িয়ে রস বের করে নিয়ে তার সঙ্গে এক কাপ গুঁড়া দুধ মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। আমের মিশ্রণও একটি বায়ুরোধী পাত্রে ঢেলে মুখ বন্ধ করে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা হতে দিন। পরিবেশনের আগে দুটি আম খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে নিন। তারপর ডেজার্ট কাপ বা বাটিতে প্রথমে কাস্টার্ড, তারপর আমের মিশ্রণ ঢেলে ওপরে কিছু কাটা আম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
চিংড়ি আমের ফ্রায়েড রাইস

চিংড়ি আমের ফ্রায়েড রাইস
উপকরণ: রোস্টেড কাজু বাদাম পৌনে ১ কাপ, বরবটি ১ ইঞ্চি টুকরা করে কাটা প্রয়োজনমতো, অলিভ অয়েল ৩ টেবিল চামচের একটু বেশি, বড় পেঁয়াজ কুঁচি ১টি, রসুন বাটা ৩ কোয়া, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রেড চিলি ফ্লেক্স বা লাল মরিচ গুঁড়া সিকি চা-চামচ, চিংড়ি মাছ (বেছে নেওয়া) ২৫০ গ্রাম, মাখন ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া টেলে আধা ভেঙে নেওয়া ২ চা-চামচ, বাসমতি চালের ঝরঝরে করে রাঁধা ভাত ৬ কাপ, সয়াসস ৩ টেবিল চামচ, তাবাস্কো সস ১ টেবিল চামচ, টমেটো টুকরা করে কাটা ১টি, পাকা আম ১ ইঞ্চি টুকরা করে কাটা দেড় কাপ, পুঁইশাক কুচি করে কাটা ১৫টি পাতা, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, স্বাদমতো।
প্রণালি : বাসমতি চালের ভাত ফ্রিজে রেখে দিন ৩-৪ ঘণ্টা। কড়াই মাঝারি আঁচে গরম করে ১ টেবিল চামচ তেলে পৌনে চা-চামচ লবণ দিয়ে বরবটির টুকরাগুলো ভেজে নিন। রোস্টেড কাজুবাদাম ও বরবটি একটি পাত্রে আলাদা করে রাখুন। এবার কড়াইয়ে আরও ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ও আধা চা-চামচ লবণ দিয়ে ভেজে নিন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি রং হয়ে এলে আদা-রসুন বাটা, ধনে গুঁড়া ও রেড চিলি ফ্লেক্স দিয়ে ৩০ সেকেন্ড রান্না করুন এবং টস করুন। খেয়াল রাখতে হবে, যেন পুড়ে না যায়। এবার এতে আরও কিছু তেল ঢেলে কিছুক্ষণ নেড়ে অর্ধেক ঠান্ডা ভাত দিয়ে নাড়ুন। তারপর বাকি ভাত মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়ুন। পাশের চুলায় ১ টেবিল চামচ মাখন ও এক চিমটি লবণ দিয়ে চিংড়ি মাছগুলো লালচে করে ভেজে একটি পাত্রে উঠিয়ে রাখুন। ভাত হলকা গরম হলে ২ টেবিল চামচ সয়াসস ও টমেটো দিয়ে নাড়ুন। ভাতের রং হলকা বাদামি হয়ে আসবে। টমেটো আধা ভাঙা বা নরম হয়ে যাবে। এবার ভাতে ভেজে রাখা বরবটি ও রোস্টেড কাজুবাদাম বাদে চিংড়ি মাছ ও পুঁইশাক দিয়ে নাড়ুন। তারপর লেবুর রস ও কিউব করে কাটা আম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে রান্না করুন। ২-৩ মিনিট পর ভাতের সঙ্গে আম ভালো করে মিশে গেলে লবণ দেখে নিয়ে নাড়ুন। অতিরিক্ত সয়াসস দেবেন না। নামিয়ে পাত্রে বেড়ে ওপরে বরবটি ও কাজাবাদাম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন৷

সুইট অ্যান্ড সাওয়ার ফ্রায়েড ম্যাংগোসুইট অ্যান্ড সাওয়ার ফ্রায়েড ম্যাংগো
উপকরণ: পাকা আম ৩টি, লবণ পৌনে এক চা-চামচ, বিট লবণ পৌনে এক চা-চামচ, চিলি ফ্লেক্স বা শুকনা মরিচ গুঁড়া পৌনে এক চা-চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা আধা চা-চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব, লেবুর রস ২ চা-চামচ, তেল ভাজার জন্য।
প্রণালি: আম লবণ ও হালকা গরম পানিতে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে নিন। তারপর খোসা ছাড়িয়ে দুপাশ দিয়ে কেটে নিন। এই কাটা টুকরাগুলোকে লম্বালম্বি দুই টুকরা করুন এবং আঁটির দুই ধার থেকে কেটে দুটো টুকরা বের করে নিন। এবার বাটিতে ফালি করা আমের সঙ্গে তেল, ব্রেড ক্রাম্বস এবং চিলি ফ্লেক্স বাদে অন্যান্য উপকরণ একত্রে মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা মেখে রেখে দিন। একটি প্লেটে ব্রেড ক্রাম্বের সঙ্গে চিলি ফ্লেক্স মিশিয়ে রাখুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে নিন। আমের টুকরা ব্রেড ক্রাম্বসে গড়িয়ে গরম ডুবো তেলে মচমচে করে ভেজে তেল ছেঁকে উঠিয়ে নিন। প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
তন্দুরি ম্যাংগো চিকেন কাবাব

তন্দুরি ম্যাংগো চিকেন কাবাব
উপকরণ: মুরগির বুকের মাংস ৪ টুকরা (৭০০ গ্রাম), লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, তন্দুরি মসলার পেস্ট ৩ টেবিল চামচ (বাজারে কিনতে পাওয়া যায়), টক দই ১ টেবিল চামচ, পাকা আমের রস পৌণে এক কাপ, রসুন (থেতো করা) ১ কোয়া, ধনে পাতা মিহিকুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, পাকা আম দেড় ইঞ্চি কিউব করে কাটা ২টি, সরষের তেল প্রলেপের জন্য, ধনে পাতার আগা সাজানোর জন্য, পনিরকুচি ২ টেবিল চামচ, মাংস গেঁথে নেওয়ার জন্য কাঁঠি।
প্রণালি: কাবাবের কাঠি ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। মাংস ধুয়ে কিউব করে কেটে কাটা চামচ দিয়ে হাল্কা কেঁচে নিন। বাটিতে লেবুর রস, টক দইয়ের সঙ্গে তন্দুরি মসলা, পাকা আমের রস, রসুন, গোলমরিচ গুঁড়া এবং ধনে পাতা কুচি মেখে নিন। এতে মাংস ম্যারিনেট করে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন।
কাঠিতে একটি করে মাংসের টুকরা ও একটি করে কিউব করে কাটা পাকা আম স্তরে স্তরে গেঁথে নিন। বাটিতে লেগে থাকা মসলাগুলো এর ওপরে দিয়ে তার উপর সরিষার তেলের প্রলেপ দিন।
এবারে প্রি-হিটেড ওভেনে গ্রিল র্যাকে সাজিয়ে উঁচু তাপে ১০-১২ মিনিট গ্রিল করুন। মাঝে একবার কাঠি ঘুরিয়ে তেলের প্রলেপ দিয়ে নিবেন। লালচে এবং পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে পোলাও, নান অথবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ম্যাংগো চিকেন পাস্তাম্যাংগো চিকেন পাস্তা
উপকরণ: পাস্তা পৌনে এক কাপ, জলপাই তেল ৫ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা ১ টেবিল চামচ, গোটা শুকনা মরিচ ৪টি, পেঁয়াজ কুচি (বড়) ১টি, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, আদা ঝুরি ১ চা-চামচ, পাকা আমের রস ৩ টেবিল চামচ, পনির কুচি পোয়া কাপ, কিউব করে কাটা মুরগির বুকের মাংস ১ কাপ, কাবুলি ছোলা (ক্যান) দেড় কাপ, কর্ন বা ভুট্টার দানা (ক্যান) ১ কাপ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, লবণ দেড় চা-চামচ, বরবটি বা ফ্রেঞ্চ বিনস (জুলিয়ান কাট) ৫০ গ্রাম, পুদিনাপাতা সাজানোর জন্য।
প্রণালি: প্যাকেটের নির্দেশ অনুযায়ী ফুটন্ত পানিতে ১ টেবিল চামচ জলপাই তেল এবং আধা চা-চামচ লবণ দিয়ে পাস্তা সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে একটি ট্রেতে ছড়িয়ে রাখুন। কড়াইয়ে বাকি তেল গরম করে গোটা শুকনা মরিচের ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ৫ মিনিট ভাজুন। তারপর লাল মরিচের গুঁড়া, রসুন, আদা ঝুরি, লবণ ও আম কুচি দিয়ে ৩ মিনিট কষিয়ে রান্না করুন। এবার মুরগির টুকরাগুলো দিয়ে ছোলা ও কর্ন দিয়ে নাড়ুন এবং মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট কষিয়ে নিন। তারপর পাস্তা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে রান্না করুন। মুরগি ভালোভাবে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত অল্প আঁচে ৫-৭ মিনিট রাখুন। নামিয়ে পাত্রে বেড়ে ওপর থেকে পনির ঝুরি ও পুদিনাপাতা ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

বিভিন্ন স্বাদের রুটি-পরোটাও চাই

হালুয়া হোক বা ঝাল মাংস, সঙ্গে রুটি বা পরোটা তো চাই-ই। রিমা জুলফিকার দিয়েছেন নানা রকম রুটি-পরোটার রেসিপি।

বসনিয়া রুটিবসনিয়া রুটি
উপকরণ: ময়দা ২ কাপ, ইস্ট ১ চা-চামচ, গুঁড়া দুধ ১ টেবিল চামচ, ঘি ১ চা-চামচ, লবণ ও পানি পরিমাণমতো।
প্রণালি: সব উপকরণ মিশিয়ে শুকনা করে ময়ান দিয়ে নিন। শক্ত খামির বানিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে নিন। এবার ৪টি রুটি বেলে নিন। রুটিগুলো তাওয়ায় উল্টেপাল্টে ভেজে নিন। নামিয়ে মাংসের ঝোল দিয়ে পরিবেশন করুন।
আলু রুটি
আলু রুটিউপকরণ: আলু আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি ৩-৪টা, কাঁচা মরিচ কুচি ৩-৪টা, ধনেপাতা কুচি সামান্য, লবণ পরিমাণমতো, ঘি ১ টেবিল চামচ, ময়দা পরিমাণমতো।
প্রণালি: আলু সেদ্ধ করে ভর্তা বানিয়ে নিন। এতে ঘি দিয়ে পরিমাণমতো ময়দা দিয়ে খামির বানিয়ে নিন। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। এবার গোল করে রুটি বেলে নিন। গরম তাওয়ায় সেঁকে নিন।

আলু রুটি
রুমালি রুটিউপকরণ: আটা ২ কাপ, ঘি ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পানি পরিমাণমতো, সামান্য আটার গুঁড়া।
প্রণালি: আটা, ঘি ও লবণ দিয়ে শুকনা করে ময়ান দিয়ে নিন। এবার অল্প পানি দিয়ে খামির বানিয়ে নিন। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। এ থেকে চারটি গোল বল বানিয়ে নিন। একটি বল নিয়ে একটু বেলে তাতে তেলের প্রলেপ দিন। তার ওপর আটার গুঁড়া ছিটিয়ে বড় আকারের রুটি বেলে নিন। এভাবে বাকি রুটিগুলোও বানিয়ে নিন। বড় তাওয়া গরম করে রুটি নিয়ে হাতে একটু চেপে আরও বড় করে অল্প আঁচে ভেজে নিন।
মসলা রুটি

মসলা রুটিউপকরণ: আটা ৩ কাপ, জোয়ান গুঁড়া ১ চা-চামচ, সুজি ১ কাপ, মরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ, পানি পরিমাণমতো।
প্রণালি: সব উপকরণ মিশিয়ে শুকনা করে ময়ান দিয়ে নিন। পরিমাণমতো পানি দিয়ে মেখে মসৃণ ডো বানান। এবার রুটি বেলে নিন। তাওয়ায় সেঁকে নিন।

নান রুটিনান রুটিউপকরণ: ময়দা ৪ কাপ, চিনি ১ চা-চামচ, লবণ ১ চা-চামচ, ঘি ১ চা-চামচ, ইস্ট ২ চা-চামচ, পাকা কলা ২টি, লেবুর রস ১ চা-চামচ।
প্রণালি: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মসৃণ ডো বানিয়ে নিন। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। ডো ফুলে উঠলে রুটি বানিয়ে তাওয়ায় ভেজে নিন। যে পিঠ তাওয়ায় থাকবে, সেই পিঠে আগে একটু লবণ-পানি ছিটিয়ে নিন। তাওয়ায় রুটি লেগে এলে কিছুক্ষণ রুটির দিকটা আগুনের ওপর ধরে সেঁকে নিন। রুটি ফুলে উঠলে প্লেটে ঢেলে পরিবেশন।

পালং পরোটাপালং পরোটা
উপকরণ: আটা ২ কাপ, বেসন ১ কাপ, পালংশাক পেস্ট ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টা, তিল ২ টেবিল চামচ, ইস্ট ২ টেবিল চামচ, তেল পরিমাণমতো, লবণ ১ টেবিল চামচ, পানি পরিমাণমতো।
প্রণালি: গরম পানিতে পালং পাতা ছেড়ে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে কাঁচা মরিচসহ বেটে পেস্ট বানান। তিল টেলে নিয়ে আটা ও বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। লবণ দিয়ে শুকনা করে ময়ান দিয়ে নিন। এবার পালং পেস্ট দিয়ে প্রয়োজন হলে অল্প পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার পরোটার আকার করে ভেজে নিন।

নানা দেশের মিষ্টান্ন

হালুয়াকে তো এখন আমাদের দেশি মিষ্টান্নই বলা যায়। স্বাদ বদলের জন্য এবার অন্যান্য দেশের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিও বানাতে পারেন। একটু অপরিচিত মনে হলেও প্রণালিটা কিন্তু সহজই। রেসিপি দিয়েছেন হোটেল ঢাকা রিজেন্সির খাদ্য ও পানীয় বিভাগের প্রধান এ টি এম আহমেদ হোসেন।
কামাল পাশা 
কামাল পাশা
উপকরণ: পানি ২ কাপ, চিনি ২ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, ময়দা ২ কাপ, ডিম ২টি, মাখন বা মার্জারিন এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ, বেকিং সোডা এক চিমটি, পনির ১ কাপ।
প্রণালি: পানি ফুটিয়ে তাতে চিনি ও লেবুর রস মেশান। ঠান্ডা করে রাখুন। বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে রাখুন। মাখন ব্রাশ করা প্যানে বলগুলো ছড়িয়ে রাখুন। ১৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে বলগুলো বেক করুন। সোনালি রং হবে। চিনির সিরাপে বলগুলো ডুবিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট রাখুন। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
বাকলাভা

বাকলাভা
উপকরণ: নানারকম বাদাম কুচি এক পাউন্ড, দারুচিনি গুঁড়া ১ চা-চামচ, ১ প্যাকেট ফিলো বা পেস্ট্রি ডো (সুপারশপে কিনতে পাবেন অথবা ময়দা, সামান্য লবণ, পানি ও জলপাই তেল দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন), মাখন ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, পানি ১ কাপ, মধু আধা কাপ, ভ্যানিলা ১ চা-চামচ, লেবুর খোসা কুচি ১ চা-চামচ।
প্রণালি: ১৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ওভেন প্রিহিট করুন। ৯ বাই ১৩ ইঞ্চি আকারের বেকিং ডিশে মাখন ব্রাশ করে রাখুন। ডিশে দারুচিনি গুঁড়া এবং বাদাম ছড়িয়ে দিন। পেস্ট্রি শিট বেকিং ডিশে সাজানোর জন্য প্রয়োজন হলে কেটে নিন। বাকি শিটগুলো ভেজা কাপড়ে জড়িয়ে রাখুন, যাতে শুকিয়ে না যায়।
ডিশে দুটি শিট রাখুন। মাখন ব্রাশ করুন। এর ওপর দুই-তিন টেবিল চামচ বাদাম ছড়িয়ে দিন। এর ওপর আবার দুটি শিট দিয়ে বাদাম দিন। এভাবে সব উপকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কয়েক স্তরে সাজান। এবার ছুরি দিয়ে বরফির আকারে ডিশের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত বাকলাভা কেটে রাখুন। এই অবস্থায় বেক করুন ৫০ মিনিট।
এই সময়ে সসপ্যানে পানি ও চিনি মেশান। ফুটে উঠলে মধু, ভ্যানিলা এবং লেবুর খোসা কুচি দিন। বিশ মিনিট

নানা স্বাদে হালুয়া

শবে বরাতে সুজি বা বুটের হালুয়া তো বাড়িতে হবেই। এর সঙ্গে ভিন্নতা আনতে অন্য রকম হালুয়াও বানাতে পারেন। দেখে নিন জেবুন্নেসা বেগমের দেওয়া রেসিপি।

আলু চকলেট হালুয়াআলু চকলেট হালুয়া
উপকরণ: গোল আলু (সেদ্ধ করে চটকে নেওয়া) ২ কাপ, চিনি ২ থেকে ৩ কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মাখন ২ টেবিল চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, চকলেট আধা কাপ, ডিম তিনটা, বাদাম ও কিশমিশ পছন্দমতো, কোকো পাউডার ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি: আলুর সঙ্গে চিনি, এলাচ গুঁড়া ও ডিম দিয়ে মেখে নিতে হবে। চুলায় ঘি গরম করে ১ টেবিল চামচ মাখন দিয়ে আলুর মিশ্রণ দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে, বাদাম ও কিশমিশ দিয়ে নামাতে হবে। এটি তিন ভাগ করে নিতে হবে। এক ভাগ আলুর হালুয়ার সঙ্গে গলানো চকলেট, কোকো পাউডার ও মাখন মিশিয়ে নিতে হবে। সাদা রঙের হালুয়ার ওপর চকলেট হালুয়া স্তর করে বসাতে হবে। এর ওপর আবার সাদা হালুয়া দিয়ে ওপরে বাদাম, কিশমিশ, চকলেট দিয়ে পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
গাজরের লাড্ডু
গাজরের লাড্ডু
উপকরণ: গাজর ২ কাপ, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, কোরানো নারকেল আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা- চামচ, চিনি এক কাপ, ঘি আধা কাপ, বাদাম কুঁচি আধা কাপ।
প্রণালি: গাজর কুঁচি করে নিতে হবে। নারকেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ চুলায় ঘিতে দিেয় ভেজে নিতে হবে। গোল গোল লাড্ডুর আকার করে নারকেলে গড়িয়ে নিতে হবে।
নারকেল প্যারা

নারকেল প্যারাউপকরণ: কোরানো নারকেল ১ কাপ, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, ঘি ৪ টেবিল চামচ, পছন্দের যেকোনো ফুড কালার কয়েক ফোঁটা, চিনি দেড় কাপ, মাখন ২ টেবিল চামচ, পানি প্রয়োজনমতো, কিশমিশ সাজানোর জন্য।
প্রণালি: চিনি ও পানি মিশিয়ে শিরা তৈরি করতে হবে৷ ঘি গরম করে তাতে মাখন দিতে হবে, গুঁড়া দুধ ও নারকেল দিয়ে নাড়তে হবে। এবার শিরা ঢেলে ঘন ঘন নাড়তে হবে। ফুড কালার মিশিয়ে নামাতে হবে। পছন্দমতো ছাঁচে বসিয়ে নারকেলের প্যারা তৈরি করতে হবে। ওপরে কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
কমলার আফলাতুন

কমলার আফলাতুনউপকরণ: সুজি আধা কাপ, ডিম তিনটা, মাখন ১ টেবিল চামচ, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, কমলালেবুর খোসা কুচি ১ চা-চামচ, কমলার রস ১ টেবিল চামচ, বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ, ময়দা ১ চা-চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: দুধ, ময়দা, সুজি একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। অন্য বাটিতে ডিম, চিনি, কমলার রস ও খোসা কুঁচি মেশাতে হবে। এবার সব উপকরণ একসঙ্গে মেশাতে হবে, ডাইসে ঘি মেখে প্রিহিট করা ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২০ মিনিট বেক করে নিতে হবে। নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
পাকা আমের হালুয়া

পাকা আমের হালুয়াউপকরণ: পাকা আমের ক্বাথ বা পাল্প ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, সুজি ৪ টেবিল চামচ, ঘি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া সামান্য, ঘি ২ টেবিল চামচ, মাওয়া ২ টেবিল চামচ, বাদাম পছন্দমতো।
প্রণালি: আমের সঙ্গে সুজি, এলাচ গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণ ঘিতে ভেজে মাওয়া ও চিনি দিতে হবে। এবার বাদাম দিতে হবে। নামিয়ে পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
জাম হালুয়া
জাম হালুয়াউপকরণ: জাম ১ কাপ, পানি ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ কাপ, চিনি দেড় কাপ, এলাচ গুঁড়া সামান্য, বাদাম পছন্দমতো, ঘি সিকি কাপ।
প্রণালি: জাম পানিতে সেদ্ধ করে ছেঁকে নিতে হবে। জামের পানির সঙ্গে কর্নফ্লাওয়ার, চিনি, এলাচ গুঁড়া ও বাদাম মিশিয়ে ঘিতে ভেজে নিতে হবে৷ গরম অবস্থায় পাত্রে ঢেলে দিতে হবে। ঠান্ডা হলে কেটে পরিবেশন করতে হবে।

মুরগ-ই আঙ্গারা

     
মুরগ-ই আঙ্গারাউপকরণ: একটি মোরগ, আদা বাটা দেড় চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, টক দই দুই চা-চামচ, লেবুর রস এক চা-চামচ, গরম মসলা বাটা দেড় চা-চামচ, বাদাম পেস্ট এক চা-চামচ, কাশ্মীরি মরিচ কুচি এক চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া এক চা-চামচ, বিট লবণ পরিমাণমতো|
প্রণালী: মোরগের চামড়া ফেলে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এবার সব ধরনের উপকরণ মাখিয়ে নিয়ে ১২ ঘন্টার বেশি মেরিনেট করে রাখুন। এরপর ওভেনে ৩০ মিনিট গ্রিল করে নিন। গ্রিল হয়ে গেলে অল্প পেঁয়াজ ভেজে ছড়িয়ে দিন।

Friday, October 23, 2015

শসার পাঁচ পদ

মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও গরমটা কিন্তু আছেই৷ খেয়ে তৃপ্তি, স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো এমন খাবারই এখন চাই৷ শাহানা পারভীন দিয়েছেন শসা দিয়ে তৈরি পাঁচ রকম রান্না৷

শসা ডিমের কারি
শসা ডিমের কারিউপকরণ: শসা ২ কাপ খোসা ছাড়ানো ডুমো করে কাটা, ডিম ৩টি, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা আধা চা-চামচ, নারকেল বাটা (ঐচ্ছিক) ১ টেবিল চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজন মতো, কাঁচা মরিচ ২-৩টি।
প্রণালি: সসপ্যানে তেল দিয়ে তাতে তেজপাতা, পেঁয়াজ বাটা, রসুনবাটা, নারকেলবাটা (ঐচ্ছিক), জিরা বাটা, হলুদ ও মরিচগুঁড়া দিন৷ এতে আধা কাপ পানি দিয়ে মসলা ভালো করে কষিয়ে নিয়ে তাতে শসা দিন। একটু নাড়াচাড়া করে প্রায় তিন কাপ পানি দিন। শসা সেদ্ধ হয়ে ঝোল একটু কমে এলে তাতে আঁচ কমিয়ে ডিম আস্তে করে ভেঙে দিন৷ ডিমে এক চিমটি লবণ দিন। ডিম এমনভাবে দিতে হবে যেন ডিম শসার মাঝখানে আস্ত থাকে। এবার ভাজা জিরার গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

শসার স্যুপ
শসার স্যুপ
উপকরণ: শসা পাতলা করে কাটা ১ কাপ, মুরগির স্টক ৪ কাপ, মুরগির বুকের মাংস (টুকরো করা) সিকি কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ১টি, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, সয়াসস ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, ফেটানো ডিম ১টি, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল বা মাখন ১ টেবিল চামচ, ক্রিম ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: মুরগির মাংসে সয়াসস মেখে ১০ মিনিট মেরিনেট করুন। চুলায় একটি সসপ্যান দিয়ে তাতে মাখন বা তেল দিয়ে সয়াসস মাখানো মাংস দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নিন৷ এবার চিকেন স্টক ঢেলে দিন। সু্৵প ফুটে উঠলে তাতে শসা, লেবুর রস, টমেটো সস, কাঁচা মরিচ, চিনি ও লবণ দিন। আধা কাপ ঠান্ডা পানিতে কর্নফ্লাওয়ার গুলে সু্্৵পে ঢেলে দিন এবং নেড়ে মিশিয়ে দিন। এতে ফেটানো ডিম আস্তে আস্তে ঢালুন এবং নাড়তে থাকুন। ওপরে ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন।
পুর ভরা শসা
পুর ভরা শসাউপকরণ: মাঝারি আকারের শসা ৪ টুকরা, সেদ্ধ করা আলু ১টি (মাঝারি) আদা-রসুন বাটা আধা চা-চামচ, চিংড়ি মাছ ৪-৫টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, সেদ্ধ বরবটি কুচি ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, সয়া সস এক চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: শসা খোসা ছাড়িয়ে একটু মোটা টুকরো করে সাবধানে মাঝখানের বিচির অংশটা চামচ দিয়ে বের করে নিন। আলু সেদ্ধ চটকে লবণ মিশিয়ে নিন। কড়াইয়ে দুই টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে আদা-রসুন বাটা, পেঁয়াজ কুচি, চিংড়ি মাছ, সেদ্ধ বরবটি, লবণ ও গোল মরিচ গুঁড়া দিয়ে কড়া আঁচে ৩-৪ মিনিট নাড়াচাড়া করে নিন। কড়াই থেকে পুর নামিয়ে আলু ও সয়াসস মিশিয়ে ঠান্ডা করে নিন। পুরটা চার ভাগ করে সাবধানে শসার মধ্যে ভরে দিন। একটি সসপ্যানে তিন টেবিল চামচ তেল দিয়ে গরম করে শসার টুকরোগুলো সাজিয়ে দিন। পুরভরা দিকটা ওপরে রাখুন। ঢাকনা দিয়ে পাঁচ মিনিট কম আঁচে বসিয়ে রেখে নামান৷ পাত্রে টমেটো সস দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন পুরভরা শসা।

শসা-ইলিশে মাখামাখিশসা-ইলিশে মাখামাখিউপকরণ: শসা টুকরা করা ২ কাপ, ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, পেয়াঁজ বাটা ২ টেবিল চামচ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচামরিচ ২-৩টি, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: মাছ কেটে ধুয়ে হলুদ, মরিচ ও লবণ মেখে গরম তেলে ভেজে তুলে রাখুন। এবার কড়াইয়ে আরও কিছু তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, লবণ দিয়ে একটু কষিয়ে নারকেলের দুধ এবং শসার টুকরোগুলো দিন৷ একটু নেড়েচেড়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিন। ফুটে উঠলে ভাজা ইলিশ মাছ দিন৷ শসা এবং মাছ মাখামাখা হলে কাঁচামরিচ দিয়ে নামিয়ে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

 শসার শরবত শসার শরবত
উপকরণ: শসা কুচি ১ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, মধু ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ঠান্ডা পানি ২ কাপ।
প্রণালি: ব্লেন্ডারে ১ কাপ পানি দিয়ে শসা কুচি ব্লেন্ড করুন এবং ছেঁকে নিন৷ এবার এর সঙ্গে লেবুর রস, ঠান্ডা পানি, চিনি, মধু ও লবণ মিশিয়ে




মজাদার মাছ

এই গরমে মাংস রুচছে না অনেকেরই। তাই বলে কি আয়োজন করে খাওয়া-দাওয়া হবে না? মাছ দিয়েও তো হতে পারে কত রকম বাহারি পদ। দেখুন সিতারা ফিরদৌসের দেওয়া রেসিপিগুলো।

আস্ত তেলাপিয়া ভাজিআস্ত তেলাপিয়া ভাজি
উপকরণ: গোটা তেলাপিয়া মাছ মাঝারি একটি, ফিশ সস ২ টেবিল-চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, টমেটো সস সিকি কাপ, ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল-চামচ, তেল পৌনে দুই কাপ।
প্রণালি: মাছ পরিষ্কার করে ছুরি দিয়ে দুই পাশ থেকে চিরে নিয়ে মাছের গায়ে দাগ কেটে রাখতে হবে। ফিশ সস, লেবুর রস, সামান্য হলুদ, লবণ একসঙ্গে মিলিয়ে মাছের দুই পাশে ও পেটের ভেতর ভালো করে লাগিয়ে ২৫-৩০ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখতে হবে। দেড় কাপ তেল গরম করে মাছ বাদামি রং করে ভেজে তেল থেকে মাছ উঠিয়ে পরিবেশন পাত্রে রাখতে হবে।
সিকি কাপ তেল গরম করে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে লবণ, টমেটো সস, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতাকুচি দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে মাছের ওপর ঢেলে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
মুড়িঘণ্ট
মুড়িঘণ্টউপকরণ: বড় রুই মাছের মাথা ১টি, পেঁয়াজকুচি সিকি কাপ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, গোলমরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, কারি পাউডার ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৬-৭টি, আদা মিহি কুচি ১ চা-চামচ, দারুচিনি ২ টুকরা, লবঙ্গ ২টি, এলাচি ৪টি, স্টার অ্যানিস ২টি, তেজপাতা ২টি, আলু ছোট টুকরা আধা কাপ, পোলাও চাল সিকি কাপ, ভাজা মুগডাল ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, ঘি ৩ টেবিল-চামচ, তেল ৪ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: চাল, ডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। মাছের মাথা ছোট টুকরা করে মাছের অংশ ও মুড়ো আলাদা করে রাখতে হবে। তেল গরম করে আদা ও পেঁয়াজকুচি ভেজে সব বাটা মসলা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে নিতে হবে। এতে আলু, চাল, ডাল ভেজে, মাছের অংশ রেখে মুড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ডুবো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। এই সময় লবণ, তেজপাতা বাকি গরম মসলা দিতে হবে। মাছের মুড়ো সেদ্ধ হলে হাতা বা খুন্তি দিয়ে মুড়ো ভেঙে দিতে হবে। বাকি কাটা মাছে সামান্য লবণ হলুদ মাখিয়ে অল্প তেলে ভেজে নিতে হবে। ঘণ্টের মধ্যে মাছ দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। ঝোল কমে এলে চিনি, কারি পাউডার, কাঁচা মরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে। ঘি গরম করে ২ টেবিল-চামচ পেঁয়াজকুচি, ১ চা-চামচ আদাকুচি ও ২ টুকরা দারুচিনি দিয়ে বাদামি রং করে ভেজে মুড়িঘণ্টর ওপর ঢেলে দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে পরিবেশন করতে হবে।

আনারস ইলিশআনারস ইলিশ
উপকরণ: মাঝারি ইলিশ মাছ ১টি, মাঝারি আনারস ১টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, সয়াবিন তেল পৌনে এক কাপ, নারকেল দুধ ২ কাপ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি।
প্রণালি: মাছ বড় টুকরো করে কেটে হলুদ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। আনারস সবজি কুরানি দিয়ে কুরিয়ে নিতে হবে। গরম তেলে পেঁয়াজকুচি ঘিয়ে রং করে ভেজে, সব বাটা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে নিতে হবে। এবার আনারস দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে নারকেলের দুধ দিতে হবে। ফুটে উঠলে মাছ ও লবণ দিতে হবে, আনারস টক হলে স্বাদমতো চিনি দিতে হবে। ঝোল কমে তেলের ওপর এলে কাঁচা মরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।
নারকেলের দুধে কইউপকরণ: বড় কই মাছ ৬টি, নারকেলের দুধ দেড় কাপ, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ১ কাপ, টমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল-চামচ।

নারকেলের দুধে কই
প্রণালি: মাছ পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে হলুদ, লবণ মাখিয়ে গরম তেলে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলে পেঁয়াজ ঘিয়ে রং করে ভেজে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। এবার লবণ, টমেটো সস ও মাছ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নারকেলের দুধ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ঝোল কমে তেলের ওপর এলে কাঁচা মরিচ, ধনেপাতাকুচি দিয়ে নামাতে
হবে।
রুই মাছের দোপেঁয়াজা

রুই মাছের দোপেঁয়াজাউপকরণ: বড় রুই মাছ টুকরা করে কাটা ৬০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, গোলমরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬টি, টমেটোকুচি সিকি কাপ, লবণ স্বাদমতো, টমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, তেল পৌনে এক কাপ, সিরকা ১ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: মাছ ধুয়ে সামান্য হলুদ, সিরকা, লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে গরম তেলে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলে পেঁয়াজ ঘিয়ে রং করে ভেজে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে লবণ, টমেটো দিয়ে ভুনতে হবে। টমেটো সস, মাছ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা দিয়ে অল্প জ্বালে ৮-১০ মিনিট চুলায় রেখে নামাতে হবে।