প্রণালি: ময়দা, লবণ, তেল ও চিনি ময়ান দিয়ে কালিজিরা ছিটিয়ে পানি দিয়ে শক্ত খামির বানাতে হবে।
মোটা রুটি বেলে চিকন চিকন করে অথবা চারকোনা কিউব করে কেটে নিতে হবে। ডুবো তেলে ভাজতে হবে বাদামি করে মাঝারি জ্বালে।
এক কাপ চিনি দিয়ে ঘন শিরা বানিয়ে ঠান্ডা মুরলি দিয়ে পাক দিয়ে নামাতে হবে। হয়ে গেল মুরলি।
শিরার মধ্যে পছন্দমতো খাওয়ার রং (ফুড কালার) দিয়ে পাক দিলে রঙিন মুরলি হবে।
আখের গুড় দিয়েও এই মুরলির পাক দেওয়া যায়।
তিল-চিড়ার মোয়াউপকরণ: চিড়া ৫০০ গ্রাম, খেজুরের গুড় ৫০০ গ্রাম, গোটা জিরা ২ চা-চামচ, গোটা তিল ৪ টেবিল চামচ. লবণ সামান্য।
প্রণালি: সামান্য লবণ ও পানি দিয়ে চিড়া মাখিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে দিতে হবে। পরে তাওয়ায় দিয়ে অল্প ভেজে কাগজ বিছিয়ে তাতে ছড়িয়ে দিতে হবে। ঠান্ডা করে নিতে হবে।
তিল শুকনা খোলায় হালকা ভেজে নিতে হবে।
গুড় ভেঙে সামান্য পানি দিয়ে চুলায় বসাতে হবে। শিরা ঘন হয়ে এলে ভাজা চিড়া, তিল ও জিরা দিয়ে দিতে হবে।চুলা থেকে নামিয়ে দ্রুত হাতে গোল গোল করে মোয়া বানাতে হবে। ঠান্ডা হলে মোয়া জোড়া লাগবে না। এ জন্য অল্প করে চিড়া পাক দিতে হয় অথবা কয়েকজনে মিলে একসঙ্গে তাড়াতাড়ি মোয়া বানাতে হয়।
মুড়কি
প্রণালি: গুড় ও পানি জ্বাল দিয়ে বাঁশের চিকন চামচ দিয়ে নাড়তে হবে। ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে পাত্র নামিয়ে লেবু পাতা দিতে হবে।
বাঁশের চামচ দিয়ে নাড়তে হবে একবার শিরার মধ্যে, একবার পাত্রের চারপাশে। এভাবে নাড়তে নাড়তে যখন শিরাটা শুকনা হয়ে আসবে তখন তাতে খইগুলো দিয়ে নাড়তে হবে। এবার নামিয়ে ঠান্ডা করে বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।
চিনির নাড়ু
উপকরণ: নারকেল ১টা, চিনি ২৫০ গ্রাম, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, ঘি পরিমাণমতো।
প্রণালি: নারকেল মিহি করে কুরিয়ে নিতে হবে।
মোটা কড়াইয়ে চিনি নেড়ে মৃদু আঁচে জ্বাল দিতে হবে।
যখন পাক ধরে আসবে তখন নামিয়ে তাড়াতাড়ি পাত্রে ঢেলে দিতে হবে। ঠান্ডা করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
ব্লেন্ড করা নারকেলে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে সামান্য ঘি দিয়ে মাখিয়ে গোল গোল করে নাড়ু বানাতে হবে।
নারকেলের তকিত
প্রণালি: চিনি আধা কাপ পানি দিয়ে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে।
নারকেল কুরিয়ে পাতলা কাগজে ছড়িয়ে ফ্যানের নিচে সারারাত রেখে দিতে হবে।
ভেজানো চিনি চুলায় দিয়ে নাড়তে হবে। যখন চিনি পাক ধরে আসবে, তখন নারকেল ও এলাচি গুঁড়া দিতে হবে। অনবরত নাড়তে হবে মৃদু জ্বালে।
একটু পর গুঁড়া দুধ ছিটিয়ে দিতে হবে। এবার নামিয়ে কাঠের পিঁড়িতে ছড়িয়ে ছুরি ও বেলুনি দিয়ে সমান করে গরম গরম তকিত কেটে নিতে হবে।
সাগুদানার নাড়ুউপকরণ: সাগুদানা পৌনে ১ কাপ, চিনি দেড় কাপ, এলাচি গুঁড়া ১ চা-চামচ, নারকেল কোরানো ১ কাপ, চালের গুঁড়া ২ কাপের মতো, তেল (ভাজার জন্য) পরিমাণমতো, লবণ সোয়া চা-চামচ।
প্রণালি: সাগুদানা ধুয়ে ডুবোপানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এক ঘণ্টা। তারপর ছেঁকে নিতে হবে।
নারকেল ও চিনি চুলায় দিতে হবে। চিনি গলে গেলে ভেজানো সাগু ও লবণ দিয়ে নাড়তে হবে। অনবরত নাড়তে হবে যেন লেগে না যায়।
সাগু সেদ্ধ হয়ে হালুয়ার মতো হয়ে এলে এলাচি গুঁড়া দিয়ে নেড়ে গরম অবস্থায় চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। এবার অল্প অল্প করে চালের গুঁড়া দিয়ে নাড়তে হবে।
একসময় দেখা যাবে ওই খামির রুটি বেলার উপযোগী হয়েছে। এবার খামির ঠান্ডা করে হাতে চালের গুঁড়া নিয়ে ছোট ছোট নাড়ু বানিয়ে মাঝারি জ্বালে বাদামি করে ভেজে তুলতে হবে।
ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে। এই নাড়ু অনেক দিন সংরক্ষণ করা যাবে।
উপকরণ: গুঁড়া দুধ ২ কাপ, ময়দা আধা কাপ, চালের গুঁড়া আধা কাপ, চিনি দেড় কাপ, পানি ১ কাপ।
প্রণালি: গুঁড়া দুধ, ময়দা ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে রাখতে হবে।
চিনি ও পানি চুলায় দিতে হবে। শিরা ঘন হয়ে যখন হাতে আঠা আঠা লাগবে তখন দুধের মিশ্রণ ওই শিরার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। পাক দিয়ে রুটি বানানোর মতো ডো বানাতে হবে।
এবার ভালোভাবে মথে আঙুলের মাথা দিয়ে লম্বা রসমালাইয়ের আকারে এলাচি সন্দেশ বানাতে হবে।
এ ডোতে খাবার রং (ফুড কালার) দিয়ে সমান করে বেলে যেকোনো ছাঁচ দিয়ে নানা রকম সন্দেশ বানানো যায়।
0 comments:
Post a Comment